বর্তমানে তিনি নিয়মিত মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের সুযোগ আসে সৃস্টিশীল মিউজিক স্টুডিওর মাধ্যমে। একটি গান শোনার পরই তিনি কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।
গানটি নিয়ে অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “গানটা যখন আমাকে পাঠানো হয়, প্রথমে শুনে ভালো লাগে। গানের কথাগুলো আমার মনে ধরে যায়, তখনই আমি কাজ করতে আগ্রহী হই।”
শুটিং সেটের একটি অভিজ্ঞতা তার মনে গভীর দাগ কেটে যায়। প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত অবস্থায় একজন ব্যক্তি তাকে পানি এনে দেন, পরে জানতে পারেন তিনি গানের গীতিকার ও সুরকার।
এই মুহূর্তটি নিয়ে তিনি বলেন, “আমি জানতাম না উনি গীতিকার। পরে জেনে খুব অবাক হয়েছি। একজন গীতিকারের হাত থেকে পানি খেয়েছি—এটা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা।”
ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো শুরুতে সহজ ছিল না তার জন্য। ভয় কাজ করত, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভয় কেটে গেছে।
তিনি বলেন, “প্রথম দিকে ভয় লাগত। এখন প্রায় ২২-২৩টা মিউজিক ভিডিও করেছি, এখন ক্যামেরার সামনে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য লাগে।”
শেখার বিষয়ে তার বিশ্বাস একদম পরিষ্কার। তিনি মনে করেন, শেখার কোনো শেষ নেই।
“আমি এখনো শিখছি, আর বেশি কাজ করতে চাই,”—বলেন ঐশী হক।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি খুব বেশি নির্দিষ্ট পরিকল্পনার চেয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখেন। তবে মিডিয়ার যেকোনো শাখায় কাজ করার ইচ্ছা তার রয়েছে।
তিনি বলেন, “আমি মিডিয়ার মানুষ, যে কাজেই লাগানো যায় আমি চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।”
নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে তিনি সততাকে উল্লেখ করেন।
“আমি বেঈমানি পছন্দ করি না, নিজেও করি না,”—তার স্পষ্ট বক্তব্য।
নতুনদের উদ্দেশ্যে তার বার্তা অত্যন্ত সহজ কিন্তু শক্তিশালী।
তিনি বলেন, “নতুন যারা আসতে চায়, তাদের স্বাগতম। আমি পারলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ।”
সংগ্রাম, চেষ্টা আর আত্মবিশ্বাসের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা ঐশী হকের গল্প তাই শুধু একজন মডেলের নয়—এটি এক অবিরাম লড়াইয়ের গল্প, যেখানে স্বপ্নই সবচেয়ে বড় শক্তি।
0 মন্তব্যসমূহ