Header Ads Widget

জুলিয়েট শিকদার: গানের পথেই এগিয়ে চলা এক স্বপ্নবাজ শিল্পী

 জুলিয়েট শিকদার।

খুলনার মাটিতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা জুলিয়েট শিকদারের সংগীতযাত্রা শুরু হয় পারিবারিক অনুপ্রেরণায়। তার বাবা ছিলেন একজন ভালো গায়ক, আর সেই সুরের আবহেই ছোটবেলা থেকে গানের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় তার। মাত্র ৮ বছর বয়সে মাজেদ জাহাঙ্গীর স্যারের কাছে হাতে খড়ি, এরপর বানীচক্র একাডেমিতে নারায়ণ চন্দ্র স্যারের কাছে তালিম নিয়ে সংগীতের ভিত আরও মজবুত করেন।

শিক্ষাজীবনে এমবিএ সম্পন্ন করলেও গানের টান তাকে আলাদা এক পরিচয়ের পথে নিয়ে আসে। চাকরির পাশাপাশি প্রফেশনালি গান শুরু করেন জুলিয়েট। তার এই পথচলার বড় অর্জন আসে ২০২৩ সালে, যখন বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অডিশনে অংশ নিয়ে আধুনিক ও পল্লীগীতি—দুই বিভাগেই উত্তীর্ণ হন।

বর্তমানে তিনি বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতেও নিয়মিত কাজ করছেন। পাশাপাশি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে মৌলিক গান প্রকাশ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গান দর্শকের কাছে পৌঁছেছে, আর সামনে রয়েছে আরও নতুন গানের পরিকল্পনা।

সংগীতজীবনে তার অনুপ্রেরণা কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তার গানের গভীরতা ও আবেগকে ধারণ করেই নিজের শিল্পীসত্তাকে বিকশিত করতে চান জুলিয়েট।

স্টেজ শো নিয়েই এখন তার ব্যস্ততা বেশি। দর্শকদের সামনে সরাসরি গান গাওয়াকে তিনি সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। সেই অভিজ্ঞতা তার কাছে অন্যরকম এক তৃপ্তি এনে দেয়।

জুলিয়েট শিকদার বলেন, ছোটবেলা থেকেই গান আমার ভালোবাসা। বাবার কাছ থেকেই মূলত এই অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এখনো শেখার মধ্যেই আছি। আমি বিশ্বাস করি, একজন শিল্পীর শেখার কোনো শেষ নেই। দর্শকদের সামনে গান গাইতে পারাটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের।

তিনি আরও বলেন, নিজস্ব কিছু গান নিয়ে কাজ করছি। চাই ভালো কিছু গান দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে। সামনে আরও ভালো কাজ নিয়ে আসার চেষ্টা থাকবে। আমি সারাজীবন গানের সাথেই থাকতে চাই।

নিজেকে প্রতিনিয়ত প্রস্তুত করে এগিয়ে চলা এই শিল্পীর স্বপ্ন—গান দিয়েই মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ